ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতি নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শিগগির অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরানে আইডিএফের হামলায় কুদস কমান্ডার নিহত যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বৃহৎ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে মামুনুল হক-মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাবে তেলের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন ও রফতানি ব্যাহত কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বড় রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের শ্যামপুরে গৃহবধূ লাকি আক্তারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক শ্যামনগর প্রেস ক্লাবে হামলায় যুবদলের ৪ নেতা বহিষ্কার দুবাইয়ে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান

দেবীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়–এর এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিশেষ ক্লাস ও প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র রায়, যিনি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে কর্মরত।

গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিদ্যালয়ে চলমান বিশেষ ক্লাসের সময় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। জানা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশনের জন্য ছবি তুলতে স্কুলে যায়। ছবি তুলতে দেরি হওয়ায় তারা বিশেষ ক্লাসে যোগ দিতে চাইলে প্রথমে কিছু সময় শ্রেণিকক্ষের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পরে ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হলেও তাদের বিশেষ ক্লাস বাধ্যতামূলক করা এবং একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ার কথা বলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী দাবি করে, প্রাইভেট অন্য কোথাও পড়লে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় নম্বর কম দেওয়া হবে বলে ভয় দেখানো হয়েছে। এক ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করেন, রমজানের ছুটির মধ্যেও বিশেষ ক্লাস চলছিল এবং তার ছেলেকে মানসিক চাপ দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন শিক্ষক এভাবে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ার জন্য চাপ দিতে পারেন কি না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মহাদেব চন্দ্র রায় বলেন, তিনি কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে বলেননি। সেদিন তিনি অতিরিক্ত ক্লাস নিচ্ছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলেছিলেন মাত্র।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জি এম রুহুল আমিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর–এর রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোছাঃ রোকসানা বেগম বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেবীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়–এর এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিশেষ ক্লাস ও প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র রায়, যিনি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে কর্মরত।

গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিদ্যালয়ে চলমান বিশেষ ক্লাসের সময় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। জানা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশনের জন্য ছবি তুলতে স্কুলে যায়। ছবি তুলতে দেরি হওয়ায় তারা বিশেষ ক্লাসে যোগ দিতে চাইলে প্রথমে কিছু সময় শ্রেণিকক্ষের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পরে ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হলেও তাদের বিশেষ ক্লাস বাধ্যতামূলক করা এবং একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ার কথা বলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী দাবি করে, প্রাইভেট অন্য কোথাও পড়লে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় নম্বর কম দেওয়া হবে বলে ভয় দেখানো হয়েছে। এক ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করেন, রমজানের ছুটির মধ্যেও বিশেষ ক্লাস চলছিল এবং তার ছেলেকে মানসিক চাপ দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন শিক্ষক এভাবে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ার জন্য চাপ দিতে পারেন কি না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মহাদেব চন্দ্র রায় বলেন, তিনি কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে বলেননি। সেদিন তিনি অতিরিক্ত ক্লাস নিচ্ছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলেছিলেন মাত্র।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জি এম রুহুল আমিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর–এর রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোছাঃ রোকসানা বেগম বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।