ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বড় রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন মাত্রা পেয়েছে। শুধু প্রাণহানিই ঘটছে না, একের পর এক সামরিক সরঞ্জামও ধ্বংস হচ্ছে। সম্প্রতি ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে, কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, কাতারে স্থাপিত যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ‘এএন/এফপিএস-১৩২’-এর উপর নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এই রাডার ব্যবস্থা ১১০ কোটি ডলারের, যা যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হয়। হামলার ফলে রাডার পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হলে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা ক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাত ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে। ইরান ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় সামরিক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপও বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বড় রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ১১:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন মাত্রা পেয়েছে। শুধু প্রাণহানিই ঘটছে না, একের পর এক সামরিক সরঞ্জামও ধ্বংস হচ্ছে। সম্প্রতি ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে, কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, কাতারে স্থাপিত যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ‘এএন/এফপিএস-১৩২’-এর উপর নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এই রাডার ব্যবস্থা ১১০ কোটি ডলারের, যা যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হয়। হামলার ফলে রাডার পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হলে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা ক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাত ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে। ইরান ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় সামরিক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপও বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।