সংবাদ শিরোনাম ::
মরিচ্যাপালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের পরিদর্শন
শাকুর মাহমুদ চৌধুরী, উখিয়াঃ
- আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
বিপিসি ডেস্ক: শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ, শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক শিক্ষা পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার (১৩ জুলাই) গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন করেছেন।
দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন—প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, উপদেষ্টা আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, সচিব আবু নূর মো. শামসুজ্জামান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহীন মিয়া, কক্সবাজারের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জসিম উদ্দিন, পিটিআই কক্সবাজারের সুপারিন্টেন্ডেন্ট জারীন তাসনিম তাসিন, উখিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি), গুলশান আক্তার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (কক্সবাজার), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আশরাফুল আলম সিরাজী, উখিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোক্তার আহমদ এবং উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে অতিথিরা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম, সহপাঠ্যক্রমিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষার্থীদের পঠন দক্ষতা, সৃজনশীল প্রতিভা এবং শিক্ষকদের শিক্ষাদান পদ্ধতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধান শিক্ষক এম. জহির উদ্দিন এবং অন্যান্য শিক্ষকের একাগ্র প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা ও মেধার বহিঃপ্রকাশ দেখে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
প্রতিনিধি দল বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহের প্রশংসা করেন। অতিথিরা মন্তব্য করেন, মরিচ্যা পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উখিয়ার শিক্ষাক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এ বিদ্যালয় আরও সাফল্য বয়ে আনবে।
পরিদর্শন শেষে প্রিন্ট ও মাল্টিমিডিয়া মিডিয়ার সঙ্গে আলাপকালে তারা শিক্ষাক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগকে দেশের সামগ্রিক প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই উচ্চ পর্যায়ের পরিদর্শন শিক্ষার্থীদের মনোবল বৃদ্ধি করবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।




















