ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতি নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শিগগির অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরানে আইডিএফের হামলায় কুদস কমান্ডার নিহত যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বৃহৎ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে মামুনুল হক-মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাবে তেলের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন ও রফতানি ব্যাহত কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বড় রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের শ্যামপুরে গৃহবধূ লাকি আক্তারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক শ্যামনগর প্রেস ক্লাবে হামলায় যুবদলের ৪ নেতা বহিষ্কার দুবাইয়ে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান

ঈদের আগে বেতন-বোনাস ও রপ্তানি সহায়তার তহবিল দ্রুত ছাড়ার অনুরোধ বিজিএমইএর

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের কাছে আবেদন করেছে, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থের চাপ কমাতে বকেয়া রপ্তানি সহায়তার অর্থ দ্রুত ছাড়ার জন্য।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক খান বাবলু ও সহসভাপতি শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী চিঠি প্রদান করেন। চিঠিতে খাতটির বকেয়া ৫,৭০০ কোটি টাকার রপ্তানি প্রণোদনা দ্রুত ছাড়ার পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকার স্বল্পসুদে ঋণ (সফট লোন) প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, খাতটির এক মাসের মোট বেতন ব্যয় প্রায় ৭,০০০ কোটি টাকা। দুই মাসের বেতন মেটাতে প্রয়োজন হবে আনুমানিক ১৪,০০০ কোটি টাকা। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সরকারি ছুটি ও নির্বাচনি কার্যক্রমের কারণে কাজের দিন কমে যাওয়ায় এই সময়ের বেতন পরিশোধের চাপ অনেক কারখানার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

শিখাব উদ্দোজা চৌধুরী জানান, গভর্নর প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবেন এবং বেতন সমর্থন বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানাতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি কোনও নেতিবাচক মন্তব্য না করে প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।

বিজিএমইএ আরও বলেছে, বর্তমানে ‘ফার্স্ট ইন, ফার্স্ট আউট’ পদ্ধতিতে প্রণোদনা বিতরণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) বঞ্চিত হতে পারে। তাই এসএমই-এর জন্য আলাদা তহবিল এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিক বিতরণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। গভর্নর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সংগঠনটি জানিয়েছে, এবার প্রেক্ষাপট ভিন্ন; সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্দোলন, শ্রমিক অসন্তোষ, নির্বাচনি পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির প্রভাবের কারণে রপ্তানি খাত চাপের মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সহায়তা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঈদের আগে বেতন-বোনাস ও রপ্তানি সহায়তার তহবিল দ্রুত ছাড়ার অনুরোধ বিজিএমইএর

আপডেট সময় : ১১:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের কাছে আবেদন করেছে, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থের চাপ কমাতে বকেয়া রপ্তানি সহায়তার অর্থ দ্রুত ছাড়ার জন্য।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক খান বাবলু ও সহসভাপতি শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী চিঠি প্রদান করেন। চিঠিতে খাতটির বকেয়া ৫,৭০০ কোটি টাকার রপ্তানি প্রণোদনা দ্রুত ছাড়ার পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকার স্বল্পসুদে ঋণ (সফট লোন) প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, খাতটির এক মাসের মোট বেতন ব্যয় প্রায় ৭,০০০ কোটি টাকা। দুই মাসের বেতন মেটাতে প্রয়োজন হবে আনুমানিক ১৪,০০০ কোটি টাকা। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সরকারি ছুটি ও নির্বাচনি কার্যক্রমের কারণে কাজের দিন কমে যাওয়ায় এই সময়ের বেতন পরিশোধের চাপ অনেক কারখানার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

শিখাব উদ্দোজা চৌধুরী জানান, গভর্নর প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবেন এবং বেতন সমর্থন বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানাতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি কোনও নেতিবাচক মন্তব্য না করে প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।

বিজিএমইএ আরও বলেছে, বর্তমানে ‘ফার্স্ট ইন, ফার্স্ট আউট’ পদ্ধতিতে প্রণোদনা বিতরণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) বঞ্চিত হতে পারে। তাই এসএমই-এর জন্য আলাদা তহবিল এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিক বিতরণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। গভর্নর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সংগঠনটি জানিয়েছে, এবার প্রেক্ষাপট ভিন্ন; সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্দোলন, শ্রমিক অসন্তোষ, নির্বাচনি পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির প্রভাবের কারণে রপ্তানি খাত চাপের মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সহায়তা জরুরি।