ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যা–চেষ্টা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ পিবিআইয়ের প্রায় এক দশক পর আইসিজিতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচার শুরু মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর বাছির উদ্দিন জুয়েল আর নেই ইসির আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের ডা. শহিদুল আলম ইউএই প্রেসিডেন্ট ক্ষমা করলেন ২৫ বাংলাদেশিকে, সবাই দেশে ফেরত এনসিপি’র প্রধান সমন্বয়ক আলী হুসাইনসহ ১২ সদস্য পদত্যাগ চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু ১৮ এপ্রিল, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ জরুরি নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানে খেলতে চায় বাংলাদেশ: বিসিবি ভারতের সংবিধান ও হিজাব: রাজনৈতিক তর্কের নতুন অধ্যায় জনগণের শক্তিতেই নির্বাচনে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছি: রুমিন ফারহানা

জাতীয় নিরাপত্তায় হুঁশিয়ারি মোকাবেলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো ধরনের হুমকি ও হুঁশিয়ারির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) লাহোর গ্যারিসন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সফরকালে ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে শৃঙ্খলা, উৎকর্ষতা এবং নিঃস্বার্থভাবে জাতীয় স্বার্থে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইএসপিআর জানায়, লাহোর গ্যারিসন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনীর অভিযানের প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণের মান এবং সামগ্রিক যুদ্ধ দক্ষতা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন ফিল্ড মার্শাল মুনির। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য আয়োজিত একটি বিশেষায়িত মাঠ প্রশিক্ষণ মহড়াও প্রত্যক্ষ করেন তিনি। এই মহড়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের গতিশীল যুদ্ধক্ষেত্রের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি তুলে ধরা হয়।

সফরের এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। আলোচনায় আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভারত থেকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধমূলক তৎপরতার ইঙ্গিত এবং খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনাও উঠে আসে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত মাসে সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব রাজনৈতিক শক্তিগুলোর প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছিল—আন্দোলন বা সমালোচনার নামে যেন জাতীয় ঐক্য ক্ষুণ্ন না করা হয়। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদে জড়িত ভারতের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে মোকাবেলা করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় নিরাপত্তায় হুঁশিয়ারি মোকাবেলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:২৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো ধরনের হুমকি ও হুঁশিয়ারির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) লাহোর গ্যারিসন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সফরকালে ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে শৃঙ্খলা, উৎকর্ষতা এবং নিঃস্বার্থভাবে জাতীয় স্বার্থে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইএসপিআর জানায়, লাহোর গ্যারিসন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনীর অভিযানের প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণের মান এবং সামগ্রিক যুদ্ধ দক্ষতা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন ফিল্ড মার্শাল মুনির। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য আয়োজিত একটি বিশেষায়িত মাঠ প্রশিক্ষণ মহড়াও প্রত্যক্ষ করেন তিনি। এই মহড়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের গতিশীল যুদ্ধক্ষেত্রের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি তুলে ধরা হয়।

সফরের এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। আলোচনায় আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভারত থেকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধমূলক তৎপরতার ইঙ্গিত এবং খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনাও উঠে আসে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত মাসে সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব রাজনৈতিক শক্তিগুলোর প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছিল—আন্দোলন বা সমালোচনার নামে যেন জাতীয় ঐক্য ক্ষুণ্ন না করা হয়। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদে জড়িত ভারতের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে মোকাবেলা করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল।