ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্টের রায় বহাল

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল খারিজের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে চুক্তির প্রক্রিয়া বৈধই থাকল।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী–এর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এর আগে ২৯ জানুয়ারি বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চ (তৃতীয় বেঞ্চ) রায় ঘোষণা করেছিলেন।

হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে ২৫ নভেম্বর শুনানি শেষে ৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য ছিল। ওই সময়ে বিচারপতি ফাতেমা নজীব প্রক্রিয়াটি অবৈধ ঘোষণা করেন, কিন্তু বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার রুল খারিজ করে দেন। ফলে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।

রিট আবেদনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম এবং আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন শুনানিতে অংশ নেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন মির্জা ওয়ালিদ হাসান, যিনি যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি। ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি ৩০ জুলাই হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

রুলে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) আইন লঙ্ঘন করে দেশীয় অপারেটরদের অনুমতি না দিয়ে চট্টগ্রাম নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না। একই সঙ্গে ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের প্রয়োজন কেন এ ক্ষেত্রে বাতিল হবে না, সে বিষয়েও হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

বিবাদীদের মধ্যে ছিলেন নৌসচিব, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। আদালত তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বিএনপি সরকারের সময় শুরু হওয়া এই টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া পরে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পুনরায় গতি পেয়েছিল, যা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ সোচ্চার হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্টের রায় বহাল

আপডেট সময় : ১০:৫২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল খারিজের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে চুক্তির প্রক্রিয়া বৈধই থাকল।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী–এর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এর আগে ২৯ জানুয়ারি বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চ (তৃতীয় বেঞ্চ) রায় ঘোষণা করেছিলেন।

হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে ২৫ নভেম্বর শুনানি শেষে ৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য ছিল। ওই সময়ে বিচারপতি ফাতেমা নজীব প্রক্রিয়াটি অবৈধ ঘোষণা করেন, কিন্তু বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার রুল খারিজ করে দেন। ফলে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।

রিট আবেদনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম এবং আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন শুনানিতে অংশ নেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন মির্জা ওয়ালিদ হাসান, যিনি যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি। ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি ৩০ জুলাই হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

রুলে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) আইন লঙ্ঘন করে দেশীয় অপারেটরদের অনুমতি না দিয়ে চট্টগ্রাম নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না। একই সঙ্গে ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের প্রয়োজন কেন এ ক্ষেত্রে বাতিল হবে না, সে বিষয়েও হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

বিবাদীদের মধ্যে ছিলেন নৌসচিব, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। আদালত তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বিএনপি সরকারের সময় শুরু হওয়া এই টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া পরে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পুনরায় গতি পেয়েছিল, যা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ সোচ্চার হয়েছেন।