ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীতে নববধূর আত্মহত্যা, স্বামীকে আটক

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

নালিতাবাড়ী উপজেলায় বিয়ের মাত্র তিন মাসের মধ্যে নববধূ সোহাগী আক্তারর আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী হাফিজুল ইসলামকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খড়খড়িয়াকান্দা গ্রামের সুন্দর আলীর মেয়ে সোহাগীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ছালুয়াতলা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে হাফিজুল ইসলামের প্রায় তিন মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ‘এক পরিবারে খাওয়া-দাওয়া’ নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে নবদম্পতি আলাদা হয়ে বসবাস শুরু করেন।

পারিবারিক কলহের জেরে গত ১২ এপ্রিল বিকেলে নিজ ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সোহাগী। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ঢাকায় অবস্থানরত তার বাবা সুন্দর আলী বাড়িতে ফিরে ১৫ এপ্রিল নালিতাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সোহাগীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। এতে স্বামী হাফিজুল ইসলাম ও শাশুড়ি মজিদা বেগমসহ চারজনকে আসামি করা হয়।

গত ২০ এপ্রিল আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত স্বামী হাফিজুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে শাশুড়িসহ অন্য আসামিদের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নালিতাবাড়ীতে নববধূর আত্মহত্যা, স্বামীকে আটক

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নালিতাবাড়ী উপজেলায় বিয়ের মাত্র তিন মাসের মধ্যে নববধূ সোহাগী আক্তারর আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী হাফিজুল ইসলামকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খড়খড়িয়াকান্দা গ্রামের সুন্দর আলীর মেয়ে সোহাগীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ছালুয়াতলা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে হাফিজুল ইসলামের প্রায় তিন মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ‘এক পরিবারে খাওয়া-দাওয়া’ নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে নবদম্পতি আলাদা হয়ে বসবাস শুরু করেন।

পারিবারিক কলহের জেরে গত ১২ এপ্রিল বিকেলে নিজ ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সোহাগী। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ঢাকায় অবস্থানরত তার বাবা সুন্দর আলী বাড়িতে ফিরে ১৫ এপ্রিল নালিতাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সোহাগীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। এতে স্বামী হাফিজুল ইসলাম ও শাশুড়ি মজিদা বেগমসহ চারজনকে আসামি করা হয়।

গত ২০ এপ্রিল আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত স্বামী হাফিজুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে শাশুড়িসহ অন্য আসামিদের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।