আমিরাতে রমজান শুরু হতে পারে ১৮ ফেব্রুয়ারি, ঈদ ২০ মার্চ সম্ভাব্য
- আপডেট সময় : ০৬:১৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
আত্মশুদ্ধির মাস পবিত্র রমজানকে ঘিরে ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট (আইএসিএডি)-এর ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, শাবান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই রমজান শুরুর চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই রোজার প্রথম দিন নির্ধারিত হয়।
ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করা হয়। পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও দান-সদকার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করেন মুসলিমরা।
রমজানের শেষ দশ দিনের যেকোনো একটি রাতকে বলা হয় লাইলাতুল কদর বা মহিমান্বিত রজনী। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতের ইবাদতের মর্যাদা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি। আইএসিএডির ২০২৬ সালের সরকারি ছুটি ও ধর্মীয় দিবসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এ বছর লাইলাতুল কদর হতে পারে ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার রাতে।
মুসলমানদের বিশ্বাস, এই পবিত্র রাতেই মানবজাতির পথনির্দেশ হিসেবে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। তাই এ রাতে মসজিদ ও ঘরে ঘরে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও ক্ষমা প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান শেষ হতে পারে ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার। তবে রমজান ২৯ না ৩০ দিনের হবে, তা নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। সে অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের তারিখেও একদিন হেরফের হতে পারে।
রমজান শেষে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমিরাতে সাধারণত শাওয়াল মাসের প্রথম তিন দিন সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। রমজান ২৯ না ৩০ দিনে শেষ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঈদের ছুটির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।














