ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনতা ব্যাংকের মোট ঋণের ৭৪% এখন খেলাপি

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মোট ঋণের বড় অংশ এখন খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকের মোট ঋণ ছিল ৯৭,৯৩৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২,৫৩৯ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ঋণের ৭৪ দশমিক ০৭ শতাংশ।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১,৮৬৭ কোটি টাকা। সে সময় মোট ঋণ ছিল ৯৬,৫৬৫ কোটি টাকা এবং খেলাপি ঋণ ছিল ৭০,৬৭১ কোটি টাকা (৭৩ দশমিক ১৮ শতাংশ)।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, খেলাপি ঋণের বড় অংশ আটকে রয়েছে মাত্র কয়েকটি বড় গ্রুপের কাছে। ব্যাংকের শীর্ষ ২০টি গ্রুপের কাছেই ৫২,৪১৮ কোটি টাকা বকেয়া আছে, যা মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৭২ শতাংশ।

ঋণ বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে ৪৮,৯০৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষমতাসীন দলের পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জনতা ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। এর সুবিধাভোগী ছিলেন ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এসব ব্যবসায়ীর অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, আবার কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনতা ব্যাংকের মোট ঋণের ৭৪% এখন খেলাপি

আপডেট সময় : ১০:৪৪:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মোট ঋণের বড় অংশ এখন খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকের মোট ঋণ ছিল ৯৭,৯৩৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২,৫৩৯ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ঋণের ৭৪ দশমিক ০৭ শতাংশ।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১,৮৬৭ কোটি টাকা। সে সময় মোট ঋণ ছিল ৯৬,৫৬৫ কোটি টাকা এবং খেলাপি ঋণ ছিল ৭০,৬৭১ কোটি টাকা (৭৩ দশমিক ১৮ শতাংশ)।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, খেলাপি ঋণের বড় অংশ আটকে রয়েছে মাত্র কয়েকটি বড় গ্রুপের কাছে। ব্যাংকের শীর্ষ ২০টি গ্রুপের কাছেই ৫২,৪১৮ কোটি টাকা বকেয়া আছে, যা মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৭২ শতাংশ।

ঋণ বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে ৪৮,৯০৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষমতাসীন দলের পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জনতা ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। এর সুবিধাভোগী ছিলেন ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এসব ব্যবসায়ীর অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, আবার কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।