ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ড. সাইমুম পারভেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ লালমনিরহাট–কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও মদ জব্দ লালমনিরহাটে বাইরে থেকে লোকআসলে উন্নত হবে জেলা প্রশাসক নাইক্ষ্যংছড়িতে অস্ত্রের মুখে রাবার বাগান থেকে তিন শ্রমিক অপহরণ জাপানের অমোরিতে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প, ক্ষয়ক্ষতি নেই হাতিয়াতে ১৬০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ বিদ্যুৎ সংকটে সিরাজগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ যশোরে শাশুড়িকে নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূ আটক শ্রীপুরে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ, বিএনপির ৬ নেতা বহিষ্কার বাল্যবিয়ে রোধ করে ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা পেল এসএসসি পরীক্ষার্থী

কাঁদলেন ‎ছাগলকাণ্ডের মতিউর, ধৈর্য ধরতে বললেন আদালত

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

বিপিসি ডেস্ক: ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আসামি মতিউর রহমানকে হাজির করা হয়। এসময় তার পক্ষে আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান জামিনের আবেদন করেন।

আইনজীবীর বক্তব্যের পর আসামি নিজে কিছু বলার অনুমতি চান। আদালত অনুমতি দিলে তিনি বলেন, আমি কারাগার থেকে দুদককে একটি চিঠি দিয়েছিলাম। আমি আপনাকে এ চিঠিটা দিলাম। আপনি দয়া করে চিঠিটা পড়ে যে আদেশ দেবেন, আমি তা মাথা পেতে নেব। আমার পরিবারটা ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই কারাগারে। আমার মা প্যারালাইসিস। তাকে দেখার কেউ নেই।’ এ কথা বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এরপর বলেন, ‘আমাকে জামিন দিন। আমাকে জামিন দিলে আমার কাছে যে নথিপত্র আছে আমি তা আদালতে উপস্থাপন করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারব।’ তখন আদালত বলেন, ‘আপনি দোষী বা নির্দোষ তা এখনই বলা যাবে না। মামলাটি তদন্তাধীন। তাই আপনাকে আরও ধৈর্যধারণ করতে হবে। এরপর শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

গত বছরের ২ জুলাই মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের বিবরণী চেয়ে পৃথক নোটিশ পাঠায় দুদক। এসব নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৯ আগস্ট মতিউর, তার দুই স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েসহ পাঁচজনের সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দেন। চলতি বছর ৬ জানুয়ারি মামলা করে দুদক। আর ১৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রসঙ্গত, ‎কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। বলা হয়, তার বাবা এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান। ‎এরপর আলোচনা চলে আসে- মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। এসব আলোচনার মধ্যে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে মতিউর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাঁদলেন ‎ছাগলকাণ্ডের মতিউর, ধৈর্য ধরতে বললেন আদালত

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

বিপিসি ডেস্ক: ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আসামি মতিউর রহমানকে হাজির করা হয়। এসময় তার পক্ষে আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান জামিনের আবেদন করেন।

আইনজীবীর বক্তব্যের পর আসামি নিজে কিছু বলার অনুমতি চান। আদালত অনুমতি দিলে তিনি বলেন, আমি কারাগার থেকে দুদককে একটি চিঠি দিয়েছিলাম। আমি আপনাকে এ চিঠিটা দিলাম। আপনি দয়া করে চিঠিটা পড়ে যে আদেশ দেবেন, আমি তা মাথা পেতে নেব। আমার পরিবারটা ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই কারাগারে। আমার মা প্যারালাইসিস। তাকে দেখার কেউ নেই।’ এ কথা বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এরপর বলেন, ‘আমাকে জামিন দিন। আমাকে জামিন দিলে আমার কাছে যে নথিপত্র আছে আমি তা আদালতে উপস্থাপন করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারব।’ তখন আদালত বলেন, ‘আপনি দোষী বা নির্দোষ তা এখনই বলা যাবে না। মামলাটি তদন্তাধীন। তাই আপনাকে আরও ধৈর্যধারণ করতে হবে। এরপর শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

গত বছরের ২ জুলাই মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের বিবরণী চেয়ে পৃথক নোটিশ পাঠায় দুদক। এসব নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৯ আগস্ট মতিউর, তার দুই স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েসহ পাঁচজনের সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দেন। চলতি বছর ৬ জানুয়ারি মামলা করে দুদক। আর ১৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রসঙ্গত, ‎কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। বলা হয়, তার বাবা এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান। ‎এরপর আলোচনা চলে আসে- মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। এসব আলোচনার মধ্যে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে মতিউর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য।