ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ছাত্রশিবিরের গজারিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন নিয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের আপত্তি তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাগুরায় আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার শেরপুরে অবৈধ ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা গৌরনদীতে অ্যাম্বুলেন্স–ইজিবাইক সংঘর্ষে ৭ জন আহত হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস করার পরিকল্পনা: ধর্মমন্ত্রী ড. সাইমুম পারভেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ লালমনিরহাট–কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও মদ জব্দ লালমনিরহাটে বাইরে থেকে লোকআসলে উন্নত হবে জেলা প্রশাসক

অন্তর্বর্তী সরকারের গায়েবানা জানাজা পড়ল শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ৯১ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তারা চলমান তিন দফা দাবি আদায়ে তাদের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গায়েবানা জানাজাও আদায় করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়। প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির পক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দেন—‘চাকরিতে বৈষম্য, মানি না মানবো না’, ‘কোটা যদি দেশ খায়, ধ্বংস তার দোরগোড়ায়’, ‘দশম দশম পরে কর, আগে ইঞ্জিনিয়ার বানান কর’, ‘বৈষম্যের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, তাদের ন্যায্য দাবি দমাতে পুলিশের হামলা হয়েছে। তারা বলেন, ‘যতদিন পর্যন্ত দাবি মানা না হবে, আমরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরব না। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘মেধাকে মূল্যায়ন না করে কোটাকে অগ্রাধিকার দিলে ছাত্রসমাজ চুপ করে থাকবে না। মনে রাখবেন, ছাত্রসমাজ ’৫২, ’৭১ কিংবা ’২৪ এ হারেনি—’২৫ এ এসেও হারবে না।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো—

১. ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং ন্যূনতম বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য কোনো নামে সমমানের পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।

২. টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদের নিয়োগ পরীক্ষা ডিপ্লোমা এবং একই ডিসিপ্লিনে উচ্চতর যোগ্যতাসম্পন্ন বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং উভয় স্নাতকের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

৩. বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ছাড়া প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে অন্যান্য দেশের মতো যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। নন-অ্যাক্রিডিটেড বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলোকে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে IEB-BATE অ্যাক্রিডিটেশনের আওতায় আনতে হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অন্তর্বর্তী সরকারের গায়েবানা জানাজা পড়ল শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৫:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তারা চলমান তিন দফা দাবি আদায়ে তাদের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গায়েবানা জানাজাও আদায় করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়। প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির পক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দেন—‘চাকরিতে বৈষম্য, মানি না মানবো না’, ‘কোটা যদি দেশ খায়, ধ্বংস তার দোরগোড়ায়’, ‘দশম দশম পরে কর, আগে ইঞ্জিনিয়ার বানান কর’, ‘বৈষম্যের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, তাদের ন্যায্য দাবি দমাতে পুলিশের হামলা হয়েছে। তারা বলেন, ‘যতদিন পর্যন্ত দাবি মানা না হবে, আমরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরব না। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘মেধাকে মূল্যায়ন না করে কোটাকে অগ্রাধিকার দিলে ছাত্রসমাজ চুপ করে থাকবে না। মনে রাখবেন, ছাত্রসমাজ ’৫২, ’৭১ কিংবা ’২৪ এ হারেনি—’২৫ এ এসেও হারবে না।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো—

১. ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং ন্যূনতম বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য কোনো নামে সমমানের পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।

২. টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদের নিয়োগ পরীক্ষা ডিপ্লোমা এবং একই ডিসিপ্লিনে উচ্চতর যোগ্যতাসম্পন্ন বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং উভয় স্নাতকের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

৩. বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ছাড়া প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে অন্যান্য দেশের মতো যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। নন-অ্যাক্রিডিটেড বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলোকে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে IEB-BATE অ্যাক্রিডিটেশনের আওতায় আনতে হবে।