২৫ মার্চের গণহত্যা প্রতিরোধেই শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ: তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ১১:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, ন্যায়পরায়ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি ১৯৭১ সালের এই কালরাতে শাহাদাতবরণকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত ও নৃশংসতম গণহত্যার দিন। এই কালরাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র মানুষের ওপর ইতিহাসের অন্যতম বর্বরতা চালায়। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও নিরপরাধ মানুষের ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়ে সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালায়।”
বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, “২৫ মার্চের এই গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তবে এই দিবাগত রাতেই ‘উই রিভোল্ট’ বলে গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে চট্টগ্রামের ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। এই প্রতিরোধের মধ্য দিয়েই শুরু হয়ে যায় দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।” তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে গবেষণার অবকাশ থাকলেও সশস্ত্র বাহিনীর এই প্রতিরোধ ছিল ঐতিহাসিক।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য ও তাৎপর্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হলে ২৫ মার্চের ইতিহাস জানা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সবাইকে রাষ্ট্র ও সমাজে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেওয়ার আহ্বান জানান। বাণীর শেষে তিনি সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দিবসের সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।




















