মূল্য বৃদ্ধির পর ও জ্বালানি তেল নিয়ে রাজধানীতে ভোগান্তি ও দীর্ঘ লাইন
- আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার ভোর থেকেই শত শত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালক পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
মূলত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই সরকার নতুন করে দেশীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করেছে। শনিবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দামে ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১৪০ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।
আসাদ গেট, তেজগাঁও ও পরীবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, আগের মতোই রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি হচ্ছে। অনেক চালক অভিযোগ করেছেন, রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না।
ক্রেতাদের অনেকেই জানান, জ্বালানি তেলের দাম আরও কিছুটা কম থাকলে ভালো হতো। তাদের আশঙ্কা, তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের জীবনে পড়তে শুরু করেছে এবং এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়তে পারে।
দেড় মাস ধরে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা অস্থিরতা থাকলেও এবার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একসঙ্গে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে জেট ফুয়েল ছাড়া অন্যান্য জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত ছিল।
এদিকে দেশীয় বাজারে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। সংগঠনটির সদস্য সচিব মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ বলেন, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম নির্ধারণ করায় মজুদ প্রবণতা কমবে এবং বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে।
সমিতির মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম নির্ধারণ করা হলে সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে এবং ব্যবসায়ীরা স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চালাতে পারেন।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল, যা মার্চ ও এপ্রিল মাসেও অপরিবর্তিত ছিল।




















