ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হারিয়ে যাচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির দাপটে চিরচেনা “ডাকবক্স”…..

মোঃ মিলন আকতার , ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
দেশের উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এক সময় যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল ডাকযোগ । দূর-দূরান্তে বসবাসরত আত্মীয়-স্বজন, পরিবার- প্রিয়জন হৃদয়ের ভাব ব্যক্ত করত চিঠি-পত্রের মাধ্যমে । অনেকদিন পর মানুষ খোঁজ- খবর পেত পত্রের মাধ্যমে । সমস্ত আবেগ, অনুভূতি আর মায়া বহন করত সেই চিঠি- পত্র । সেই রাখালিয়া মেঠো পথ পেরিয়ে মানুষ ছুটি আসত চিঠি দিতে ডাকযোগে অর্থাৎ ডাকবাক্সে। আজ আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেই স্মৃতিময় দিন যেন অতীত । বলছিলাম ঠাকুরগাঁও জেলার কথা –
ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তির দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে ডাক ঘরের “ডাকবক্স”। এখন আর আগের মতো ডাক অফিসে লোকজনের আনাগোনা চোখে পড়ছেনা। ফেলে আসা দিনগুলোতে বার্তা প্রেরক ও মনের ভাব আদান-প্রদান ক্ষেত্রে ডাক বিভাগের বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে উচ্চারিত হত। আশির দশক পর্যন্ত যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল চিঠি এবং জরুরি বার্তার জন্য টেলিগ্রাফ এবং টেলিফোন। জেলা শহর ব্যতীত গ্রামীণ জনপদে টেলিফোনের ব্যবহার অত্যন্ত সীমিত ছিল।
পরিবার-প্রিয়জনের একটি চিঠির জন্য অপেক্ষমান হয়ে থাকতে হতো । এখন আর সেই দিন নেই। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে দিন বদলের ন্যায় পাল্টে গেছে সবকিছু। এখন নিমিশে খবরাখবর পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে বসে বিশ্বের যেকোন প্রান্তে। প্রতি সেকেন্ডে আলাপ চলছে অত্যাধুনিক মোবাইলে।
তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সহ ইউনিয়ন ভিত্তিক ডাকঘরে অতীতে যেভাবে ডাকবক্সে চিঠিপত্র আদান প্রদান করা হতো এখন তা হারিয়ে যাচ্ছে । জেলা , উপজেলা গুলোতে ডাকঘর চোখে পড়লেও ইউনিয়ন গুলোতে ভিন্ন চিত্র । নেই ডাকঘর নেই ডাকবক্স।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হারিয়ে যাচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির দাপটে চিরচেনা “ডাকবক্স”…..

আপডেট সময় : ০৬:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
দেশের উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এক সময় যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল ডাকযোগ । দূর-দূরান্তে বসবাসরত আত্মীয়-স্বজন, পরিবার- প্রিয়জন হৃদয়ের ভাব ব্যক্ত করত চিঠি-পত্রের মাধ্যমে । অনেকদিন পর মানুষ খোঁজ- খবর পেত পত্রের মাধ্যমে । সমস্ত আবেগ, অনুভূতি আর মায়া বহন করত সেই চিঠি- পত্র । সেই রাখালিয়া মেঠো পথ পেরিয়ে মানুষ ছুটি আসত চিঠি দিতে ডাকযোগে অর্থাৎ ডাকবাক্সে। আজ আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেই স্মৃতিময় দিন যেন অতীত । বলছিলাম ঠাকুরগাঁও জেলার কথা –
ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তির দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে ডাক ঘরের “ডাকবক্স”। এখন আর আগের মতো ডাক অফিসে লোকজনের আনাগোনা চোখে পড়ছেনা। ফেলে আসা দিনগুলোতে বার্তা প্রেরক ও মনের ভাব আদান-প্রদান ক্ষেত্রে ডাক বিভাগের বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে উচ্চারিত হত। আশির দশক পর্যন্ত যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল চিঠি এবং জরুরি বার্তার জন্য টেলিগ্রাফ এবং টেলিফোন। জেলা শহর ব্যতীত গ্রামীণ জনপদে টেলিফোনের ব্যবহার অত্যন্ত সীমিত ছিল।
পরিবার-প্রিয়জনের একটি চিঠির জন্য অপেক্ষমান হয়ে থাকতে হতো । এখন আর সেই দিন নেই। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে দিন বদলের ন্যায় পাল্টে গেছে সবকিছু। এখন নিমিশে খবরাখবর পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে বসে বিশ্বের যেকোন প্রান্তে। প্রতি সেকেন্ডে আলাপ চলছে অত্যাধুনিক মোবাইলে।
তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সহ ইউনিয়ন ভিত্তিক ডাকঘরে অতীতে যেভাবে ডাকবক্সে চিঠিপত্র আদান প্রদান করা হতো এখন তা হারিয়ে যাচ্ছে । জেলা , উপজেলা গুলোতে ডাকঘর চোখে পড়লেও ইউনিয়ন গুলোতে ভিন্ন চিত্র । নেই ডাকঘর নেই ডাকবক্স।