ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাল সনদে চাকরি, নেত্রকোনায় দুই শিক্ষক কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

কারাগারে প্রেরিতরা হলেন সহকারী অধ্যাপক মো. অলি উল্লাহ (৪২) ও জুনিয়র শিক্ষক সুলতানা পারভীন (৪২)। তারা কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, জাল সনদের মাধ্যমে অলি উল্লাহ ও আবু সালেহ প্রভাষক পদে এবং সুলতানা পারভীন জুনিয়র শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।

আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

চলতি বছরের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অভিযুক্তদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুল আলম বলেন, জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়া একটি গুরুতর অপরাধ। এ কারণেই আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জাল সনদে চাকরি, নেত্রকোনায় দুই শিক্ষক কারাগারে

আপডেট সময় : ০৪:০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

কারাগারে প্রেরিতরা হলেন সহকারী অধ্যাপক মো. অলি উল্লাহ (৪২) ও জুনিয়র শিক্ষক সুলতানা পারভীন (৪২)। তারা কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, জাল সনদের মাধ্যমে অলি উল্লাহ ও আবু সালেহ প্রভাষক পদে এবং সুলতানা পারভীন জুনিয়র শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।

আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

চলতি বছরের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অভিযুক্তদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুল আলম বলেন, জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়া একটি গুরুতর অপরাধ। এ কারণেই আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।