২১ এপ্রিল শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, চলবে ২০ মে পর্যন্ত
- আপডেট সময় : ১২:১৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড। ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। এই পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও পরীক্ষার রুটিন ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা জানানো হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই নিজ নিজ পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং এ দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না।
বোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে সংগ্রহ করবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব পরীক্ষার্থীর মাঝে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান দায়ী থাকবেন।
শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে এসব ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।
পরীক্ষার খাতায় উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর (OMR) ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত পূরণ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। বোর্ড আরও জানিয়েছে, সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক—এই তিন অংশেই পৃথকভাবে পাস করতে হবে।
নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয় বা বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে, তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী মুঠোফোন কেন্দ্রে আনতে কিংবা ব্যবহার করতে পারবে না।
এ ছাড়া সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়েছে।
পরীক্ষা শেষে ফল প্রকাশের পর সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ সংক্রান্ত আবেদনপ্রক্রিয়া, নির্ধারিত সময় ও তারিখ দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।




















