ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেন্দুয়ায় জমি বিরোধে সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ৩০ চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ছাত্রশিবিরের গজারিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন নিয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের আপত্তি তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাগুরায় আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার শেরপুরে অবৈধ ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা গৌরনদীতে অ্যাম্বুলেন্স–ইজিবাইক সংঘর্ষে ৭ জন আহত হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস করার পরিকল্পনা: ধর্মমন্ত্রী ড. সাইমুম পারভেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ লালমনিরহাট–কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও মদ জব্দ

ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে গাছা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

ক্রেতা-দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেছে গাজীপুরের গাছার গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা-২০২৫। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসার এবং উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে বেনারসি, মসলিন এবং জামদানি বস্ত্রের পাশাপাশি দেশি বিদেশি নানা রকমের পণ্যের পসরা নিয়ে শুরু হয়েছে এই মেলা। তবে মেলায় বিদেশি পণ্যের চেয়ে দেশীয় পণ্যের ব্যাপক সমাহার ঘটেছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুমতি ও সার্বিক সহযোগিতায় মাসব্যাপী এই মেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশের বেনারসি, মসলিন এবং জামদানি বস্ত্রশিল্পের ঐতিহ্য রক্ষা, সমৃদ্ধি এবং তাঁতশিল্পীদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন “বাংলাদেশ বেনারসি মসলিন এন্ড জামদানি সোসাইটি”।

সাপ্তাহিক ছুটির দ্বিতীয় দিন শনিবার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, জনসমাগমে উৎসবে পরিণত হয়েছে পুরো ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা প্রাঙ্গণ। কিছু কিছু স্টলে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে তিল ধরার জায়গা ছিল না। এদিন বিকিকিনিও বেশ, খুশি বিক্রেতারাও।

আশপাশের এলাকা থেকেই মূলত বেশি দর্শনার্থী ভিড় করেন এ মেলায়। কেউ পরিবার আবার কেউ প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে হাজির হচ্ছেন। কেনাকাটার পাশাপাশি নিজেদের মুহূর্তগুলো ফ্রেম বন্দি করতেও ভুলছেন না তারা। এর বাইরেও পছন্দের পণ্য সুলভ মূল্যে পাওয়ার আশায় অনেকই আসছেন ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলায়।

ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে আয়োজক ও বিক্রেতাদের থাকে নানা উদ্যোগ। বেশকিছু স্টলে দেখা গেছে বাহারি পণ্য আর মূল্য ছাড়ের ছড়াছড়ি।

মেলায় ছোট-বড় শতাধিক স্টল ঠাঁই পেয়েছে। এসব স্টলে মিলছে বাহারি শোপিস, গহনা, জুয়েলারি সেট, কুটিরশিল্প, হস্তশিল্প, মেয়েদের শাড়ী, বুটিকসের টুপিস, থ্রি-পিসসহ নানান ধরনের পণ্য। এছাড়াও রয়েছে বাচ্চাদের খেলনা, পোষাক, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, নিত্যপ্রয়োজনীয় তৈজসপত্র, ঢাকা থেকে আগত ফুচকা, চটপটি, আচার ও বেকারি আইটেমের দোকান।আর শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে নাগরদোলা, মেজিক নৌকা, ট্রেনসহ মজাদার বিনোদনমূলক আকর্ষণ। মেলার ২০ টাকার প্রবেশ টিকেটের উপর রয়েছে প্রতিদিনের র‌্যাফেল ড্র। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য পুরো র‌্যাফেল ড্র আয়োজন ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

শহর ও শহরতলী ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা-দর্শনার্থীদেরও ভিড় বাড়ছে প্রতিদিনই। মেলায় পাওয়া জিনিসপত্রের দাম সাধ্যের মধ্যে রয়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের। দিনে দিনে ক্রেতা বাড়ছে, কেনাবেচাও জমজমাট। মেলা শুরুর দিন থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা এই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলায় ব্যবসা ভালো হওয়ার আশা করছেন।

শিল্প অধ্যুষিত এলাকা হওয়াতে গাজীপুরে দেশের অন্যন্য জেলাগুলোর তুলনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক লোক বসবাস করেন। কিন্তু এ জেলায় সাধারণ মানুষের অবসর বিনোদনের কোনও উপাদান নেই। তাই কোথাও একটু মেলার আয়োজন দেখলে দর্শনার্থীরা সেখানেই ভিড় করেন একটু নির্মল বিনোদনের আশায়। বিশেষকরে এ কারণেই জমজমাট গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা-২০২৫।

মেলায় সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে আসা শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার জানান, দরকারী অনেক পণ্য গাছার এই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে। স্বল্পদামে সবকিছু একটি মাঠের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে, এটিতো বেশ ভালো লাগছে।

শিশু খেলানা ও মহিলাদের পণ্যসামগ্রী বিক্রি করেন আজগর আলী। বলেন, মেলার সৌন্দর্যই হলো ক্রেতা-দর্শনার্থী। তাদের আগমন যত বাড়বে মেলার সৌন্দর্য তত বাড়বে। ছুটির দিন থাকায় অনেকে পরিবারসহ মেলায় এসেছেন। ছুটির দিনগুলোতে বেচাবিক্রি বেশিই থাকে। আমাদের প্রত্যাশা, সামনে ক্রেতা-দর্শনার্থী আরো বাড়বে।

স্থানীয় একটি রপ্তানিমুখী পোষাক কারখানার কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, এই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা আমাদের বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আমরা সহকর্মীরা মিলে প্রতিদিন ছুটির পর মেলায় ঘুরতে আসি। নানান নতুন পণ্য দেখতে ভাল লাগে। কিছু পণ্য কিনেছিও।

গাজীপুর-ঢাকা মহাসড়কের যানজট পেরিয়ে মেলায় পরিবার নিয়ে কেনাটাকা করতে আসা জসিম উদ্দিন বলেন, গাছা রোডের অবাঞ্ছিত অটো ও রিকশাজট চূড়ান্ত বিরক্তির কারণ। মেলার সামনেও অপরিকল্পিত জটলা নিয়ন্ত্রণে কোনও স্বেচ্ছাসেবী দেখা যায়নি। মেলার ভিতরেও কোথাও কোন বসার ব্যবস্থা নেই।

মেলার আয়োজক এম এ মঈন খান বাবলু বলেন, এবারের মেলায় সর্বোচ্চ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। মেলায় পুলিশ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিয়মিত মেলার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন; তত্ত্বাবধান করছেন। সাংবাদিকরা নিয়মিত মেলা পরিদর্শন করছেন। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এই মেলার ভাল ব্যবস্থাপনা নজির হয়ে থাকবে।

তিনি এই মেলা আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে গাছা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

ক্রেতা-দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেছে গাজীপুরের গাছার গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা-২০২৫। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসার এবং উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে বেনারসি, মসলিন এবং জামদানি বস্ত্রের পাশাপাশি দেশি বিদেশি নানা রকমের পণ্যের পসরা নিয়ে শুরু হয়েছে এই মেলা। তবে মেলায় বিদেশি পণ্যের চেয়ে দেশীয় পণ্যের ব্যাপক সমাহার ঘটেছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুমতি ও সার্বিক সহযোগিতায় মাসব্যাপী এই মেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশের বেনারসি, মসলিন এবং জামদানি বস্ত্রশিল্পের ঐতিহ্য রক্ষা, সমৃদ্ধি এবং তাঁতশিল্পীদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন “বাংলাদেশ বেনারসি মসলিন এন্ড জামদানি সোসাইটি”।

সাপ্তাহিক ছুটির দ্বিতীয় দিন শনিবার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, জনসমাগমে উৎসবে পরিণত হয়েছে পুরো ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা প্রাঙ্গণ। কিছু কিছু স্টলে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে তিল ধরার জায়গা ছিল না। এদিন বিকিকিনিও বেশ, খুশি বিক্রেতারাও।

আশপাশের এলাকা থেকেই মূলত বেশি দর্শনার্থী ভিড় করেন এ মেলায়। কেউ পরিবার আবার কেউ প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে হাজির হচ্ছেন। কেনাকাটার পাশাপাশি নিজেদের মুহূর্তগুলো ফ্রেম বন্দি করতেও ভুলছেন না তারা। এর বাইরেও পছন্দের পণ্য সুলভ মূল্যে পাওয়ার আশায় অনেকই আসছেন ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলায়।

ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে আয়োজক ও বিক্রেতাদের থাকে নানা উদ্যোগ। বেশকিছু স্টলে দেখা গেছে বাহারি পণ্য আর মূল্য ছাড়ের ছড়াছড়ি।

মেলায় ছোট-বড় শতাধিক স্টল ঠাঁই পেয়েছে। এসব স্টলে মিলছে বাহারি শোপিস, গহনা, জুয়েলারি সেট, কুটিরশিল্প, হস্তশিল্প, মেয়েদের শাড়ী, বুটিকসের টুপিস, থ্রি-পিসসহ নানান ধরনের পণ্য। এছাড়াও রয়েছে বাচ্চাদের খেলনা, পোষাক, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, নিত্যপ্রয়োজনীয় তৈজসপত্র, ঢাকা থেকে আগত ফুচকা, চটপটি, আচার ও বেকারি আইটেমের দোকান।আর শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে নাগরদোলা, মেজিক নৌকা, ট্রেনসহ মজাদার বিনোদনমূলক আকর্ষণ। মেলার ২০ টাকার প্রবেশ টিকেটের উপর রয়েছে প্রতিদিনের র‌্যাফেল ড্র। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য পুরো র‌্যাফেল ড্র আয়োজন ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

শহর ও শহরতলী ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা-দর্শনার্থীদেরও ভিড় বাড়ছে প্রতিদিনই। মেলায় পাওয়া জিনিসপত্রের দাম সাধ্যের মধ্যে রয়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের। দিনে দিনে ক্রেতা বাড়ছে, কেনাবেচাও জমজমাট। মেলা শুরুর দিন থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা এই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলায় ব্যবসা ভালো হওয়ার আশা করছেন।

শিল্প অধ্যুষিত এলাকা হওয়াতে গাজীপুরে দেশের অন্যন্য জেলাগুলোর তুলনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক লোক বসবাস করেন। কিন্তু এ জেলায় সাধারণ মানুষের অবসর বিনোদনের কোনও উপাদান নেই। তাই কোথাও একটু মেলার আয়োজন দেখলে দর্শনার্থীরা সেখানেই ভিড় করেন একটু নির্মল বিনোদনের আশায়। বিশেষকরে এ কারণেই জমজমাট গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা-২০২৫।

মেলায় সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে আসা শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার জানান, দরকারী অনেক পণ্য গাছার এই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে। স্বল্পদামে সবকিছু একটি মাঠের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে, এটিতো বেশ ভালো লাগছে।

শিশু খেলানা ও মহিলাদের পণ্যসামগ্রী বিক্রি করেন আজগর আলী। বলেন, মেলার সৌন্দর্যই হলো ক্রেতা-দর্শনার্থী। তাদের আগমন যত বাড়বে মেলার সৌন্দর্য তত বাড়বে। ছুটির দিন থাকায় অনেকে পরিবারসহ মেলায় এসেছেন। ছুটির দিনগুলোতে বেচাবিক্রি বেশিই থাকে। আমাদের প্রত্যাশা, সামনে ক্রেতা-দর্শনার্থী আরো বাড়বে।

স্থানীয় একটি রপ্তানিমুখী পোষাক কারখানার কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, এই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা আমাদের বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আমরা সহকর্মীরা মিলে প্রতিদিন ছুটির পর মেলায় ঘুরতে আসি। নানান নতুন পণ্য দেখতে ভাল লাগে। কিছু পণ্য কিনেছিও।

গাজীপুর-ঢাকা মহাসড়কের যানজট পেরিয়ে মেলায় পরিবার নিয়ে কেনাটাকা করতে আসা জসিম উদ্দিন বলেন, গাছা রোডের অবাঞ্ছিত অটো ও রিকশাজট চূড়ান্ত বিরক্তির কারণ। মেলার সামনেও অপরিকল্পিত জটলা নিয়ন্ত্রণে কোনও স্বেচ্ছাসেবী দেখা যায়নি। মেলার ভিতরেও কোথাও কোন বসার ব্যবস্থা নেই।

মেলার আয়োজক এম এ মঈন খান বাবলু বলেন, এবারের মেলায় সর্বোচ্চ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। মেলায় পুলিশ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিয়মিত মেলার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন; তত্ত্বাবধান করছেন। সাংবাদিকরা নিয়মিত মেলা পরিদর্শন করছেন। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এই মেলার ভাল ব্যবস্থাপনা নজির হয়ে থাকবে।

তিনি এই মেলা আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।