চেক ডিজঅনার মামলায় এনসিপি নেতা মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ১০:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ–কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে পাবনার সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কামালপুর ফাঁড়ির সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করেন। পরে থানা পুলিশ সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে। তিনি উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রেস উইংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া বিষয়ক উপকমিটির দায়িত্বেও ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে এনসিপির ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও প্রচারণা চালান। পেশাগতভাবে তিনি দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার এক ব্যক্তির দায়ের করা চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হন। ওই মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচনের পরদিন রাতে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাসায় গিয়ে আসাদ ও তার বাবার গায়ে রং মাখিয়ে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এরপর পুরোনো মামলায় হয়রানির উদ্দেশ্যে পুলিশ ডেকে তাকে গ্রেফতার করানো হয়েছে বলে পরিবারের দাবি।
আসাদুল্লাহর স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একটি পারিবারিক ও হয়রানিমূলক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তারা বিস্মিত এবং দ্রুত মুক্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ সংক্রান্ত মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।




















