ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস ও লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রামে অফিসে ঢুকে চাঁদা দাবি ও হামলা, ব্যবসায়ী আহত বর্তমান মজুত জ্বালানি ১২ বছর পর্যন্ত গ্যাস চাহিদা মেটাতে পারবে: জ্বালানি মন্ত্রী সাভার-আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স বেড়ে ১৯৬ কোটি ডলার কালীগঞ্জে আদি যমুনায় ৪০ লক্ষ টাকার তীর রক্ষা বাঁধ: মাস না পেরোতেই ধস ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার গুঞ্জন, নিরাপত্তা জোরদার মাদারীপুরে এসএসসি প্রবেশপত্র না পেয়ে ২০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজধানীর মালিবাগে ট্রেনের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু

‘আমি ভাবলাম আমার টিভির কালার সমস্যা, পরে দেখি মিরপুরের পিচই কালো’

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫ ৯২ বার পড়া হয়েছে

মিরপুরের কালো মাটির উইকেট নিয়ে অনেক হাস্যরস হয়, সমালোচনাও কম নয়। তবে এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করলেন আকিল হোসেন। টিভিতে প্রথমবার মিরপুরের উইকেট দেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার মনে করেছিলেন, তার টিভিতেই বুঝি সমস্যা!

সেই একই কালো উইকেটেই মঙ্গলবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের নায়কদের একজন তিনি। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে হাসতে হাসতে মিরপুরের কালো উইকেট নিয়ে নিজের ভ্রান্তির কথা বললেন বাঁহাতি এই স্পিনার।

“যখন টিভি অন করলাম, প্রথম যে কাজটি করলাম, তা হলো টিভি পরীক্ষা করে দেখা, কারণ মনে হচ্ছিল টিভিতেই বুঝি সমস্যা! পর্দা একদম কালো, মনে হচ্ছিল কোথাও সমস্যা হয়েছে—হয়তো রঙ চলে গেছে বা কিছু একটা গোলমেলে। পরে বুঝলাম, পিচটাই এমন কালো।”

গত মাসে শারজাহতে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরেছিলেন আকিল। বাংলাদেশ সফরের টি-টোয়েন্টি দলে ছিলেন, কিন্তু ওয়ানডে স্কোয়াডে ছিলেন না। দুই ক্রিকেটারের হঠাৎ চোটে শেষ দুই ওয়ানডের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ডাক পান। দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে ভোর চারটায় ঢাকায় পৌঁছান তিনি। ক্লান্ত শরীর নিয়েই খেলতে নেমে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।

এসবে তার আপত্তি নেই, পেশাদারিত্বই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। “রাত চারটায় হোটেলে পৌঁছেছি। কিন্তু এটাই কাজের অংশ। একবার যখন কোনো কিছুর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই, তখন অজুহাত চলে না—শতভাগ দিতে হয়। প্রায় নষ্টই করে ফেলেছিলাম ম্যাচটা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে আনতে পেরেছি, এটাই বড় স্বস্তি,” বললেন আকিল হোসেন।

এই ম্যাচ দিয়ে আড়াই বছর পর ওয়ানডে খেললেন আকিল। টি-টোয়েন্টিতে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম পছন্দের স্পিনার। কিন্তু ওয়ানডের সঙ্গে বিচ্ছেদ ছিল দীর্ঘদিনের। ৩২ বছর বয়সী স্পিনারের কোনো আক্ষেপ নেই তাতে।

“একবারও ভাবিনি কেন আমি দলে নেই। নির্বাচকরা সিদ্ধান্ত নেন, আমি শুধু খেলাটা উপভোগ করি আর যতটা পারি ভালো খেলি।” “আমি বিশ্বাস করি, এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব নির্বাচক আর টিম ম্যানেজমেন্টের। আমার কাজ শুধু প্রতিটি ম্যাচ উপভোগ করা, নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়া—বাকি সিদ্ধান্ত তাঁদের হাতেই থাকা উচিত।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘আমি ভাবলাম আমার টিভির কালার সমস্যা, পরে দেখি মিরপুরের পিচই কালো’

আপডেট সময় : ০১:১৮:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

মিরপুরের কালো মাটির উইকেট নিয়ে অনেক হাস্যরস হয়, সমালোচনাও কম নয়। তবে এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করলেন আকিল হোসেন। টিভিতে প্রথমবার মিরপুরের উইকেট দেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার মনে করেছিলেন, তার টিভিতেই বুঝি সমস্যা!

সেই একই কালো উইকেটেই মঙ্গলবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের নায়কদের একজন তিনি। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে হাসতে হাসতে মিরপুরের কালো উইকেট নিয়ে নিজের ভ্রান্তির কথা বললেন বাঁহাতি এই স্পিনার।

“যখন টিভি অন করলাম, প্রথম যে কাজটি করলাম, তা হলো টিভি পরীক্ষা করে দেখা, কারণ মনে হচ্ছিল টিভিতেই বুঝি সমস্যা! পর্দা একদম কালো, মনে হচ্ছিল কোথাও সমস্যা হয়েছে—হয়তো রঙ চলে গেছে বা কিছু একটা গোলমেলে। পরে বুঝলাম, পিচটাই এমন কালো।”

গত মাসে শারজাহতে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরেছিলেন আকিল। বাংলাদেশ সফরের টি-টোয়েন্টি দলে ছিলেন, কিন্তু ওয়ানডে স্কোয়াডে ছিলেন না। দুই ক্রিকেটারের হঠাৎ চোটে শেষ দুই ওয়ানডের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ডাক পান। দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে ভোর চারটায় ঢাকায় পৌঁছান তিনি। ক্লান্ত শরীর নিয়েই খেলতে নেমে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।

এসবে তার আপত্তি নেই, পেশাদারিত্বই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। “রাত চারটায় হোটেলে পৌঁছেছি। কিন্তু এটাই কাজের অংশ। একবার যখন কোনো কিছুর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই, তখন অজুহাত চলে না—শতভাগ দিতে হয়। প্রায় নষ্টই করে ফেলেছিলাম ম্যাচটা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে আনতে পেরেছি, এটাই বড় স্বস্তি,” বললেন আকিল হোসেন।

এই ম্যাচ দিয়ে আড়াই বছর পর ওয়ানডে খেললেন আকিল। টি-টোয়েন্টিতে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম পছন্দের স্পিনার। কিন্তু ওয়ানডের সঙ্গে বিচ্ছেদ ছিল দীর্ঘদিনের। ৩২ বছর বয়সী স্পিনারের কোনো আক্ষেপ নেই তাতে।

“একবারও ভাবিনি কেন আমি দলে নেই। নির্বাচকরা সিদ্ধান্ত নেন, আমি শুধু খেলাটা উপভোগ করি আর যতটা পারি ভালো খেলি।” “আমি বিশ্বাস করি, এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব নির্বাচক আর টিম ম্যানেজমেন্টের। আমার কাজ শুধু প্রতিটি ম্যাচ উপভোগ করা, নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়া—বাকি সিদ্ধান্ত তাঁদের হাতেই থাকা উচিত।”