ইবিতে সাংবাদিকদের মারধর, নারী শিক্ষার্থীসহ বহিষ্কার ৩
- আপডেট সময় : ০৮:২২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে এ ঘটনায় নয় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের আফসানা পারভীন তিনা, নাহিদ হাসান এবং রিয়াদ মোর্শেদ। তাদের দুই সেমিস্টারের (এক বছর) জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া, অভিযুক্ত অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন, একই বিভাগের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের সাইফুল ইসলাম, মিল্টন মিয়া, মশিউর রহমান, রাকিব হোসেন, ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের সৌরভ দত্ত, মিনহাজুল আবেদীন, সাব্বির হোসেন, সৌরভ হোসেন সজীব এবং ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ফরিদুল আলম পান্না। তাদের সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘটনায় দিন সাংবাদিক আরিফের মোবাইল কেড়ে নেওয়া এবং মারধরের উস্কানি দেওয়ায় আফসানা পারভীন তিনাকে, সাংবাদিক রবিউলকে তলপেটে লাথি মারা, সাংবাদিক আরিফ বিল্লাহের মোবাইল রিসেট করে মেডিকেল সেন্টারে ফেলে রাখা এবং প্রক্টর বরাবর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার ঘটনায় নাহিদ হাসানকে ২ সেমিস্টার বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া প্রক্টর বরাবর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের এবং ঘটনা ত্বরান্বিত করতে নাহিদকে সহায়তা করার জন্য রিয়াজ মোর্শেদকে ২ সেমিস্টার বহিষ্কার করা হয়েছে।
অপরদিকে, এ ঘটনার পরোক্ষে ভূমিকা রাখায় অন্য নয় অভিযুক্তকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করার জন্য বলা হয়েছে।
এর আগে, গত ১২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের আন্তঃসেশন খেলায় সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় আরিফ বিল্লাহ, রবিউল আলম এবং নুর আলমকে মারধর করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।
এসময় আফসানা পারভিন আরিফ বিল্লাহর মোবাইলটি কেড়ে নেন। পরে তাকে ৮-১০ জন ছাত্র এসে চড়, থাপ্পড় ও ঘুষি মারে। তার মোবাইলটি রিসেট করে গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য ডিলিট করা হয়। এসময় অন্য ভুক্তভোগী রবিউল আলমকে নাহিদ হাসান তলপেটে লাথি মারেন।
পরে গত ১৪ জুলাই এ ঘটনায় ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।




















