তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে মিজানুর রহমান আজহারীর পোস্ট
- আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ৬৩ বার পড়া হয়েছে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন আজ। তার এ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগতম জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ১৯ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে স্বাগতম জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, ‘সুদীর্ঘ ১৮ বছর পর জনাব তারেক রহমান স্বপরিবারে দেশে ফিরেছেন। প্রিয় জন্মভূমিতে আপনাকে সুস্বাগতম। দেশের কল্যাণে নিবেদিত হোক আপনার এই প্রত্যাবর্তন। মসৃণ হোক আপনার আগামীর পথচলা।’
এদিকে আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তারেক রহমান। দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে বিমান থেকে নেমে পরিবার ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর থেকে বের হন তিনি। বিমানবন্দর থেকে বের হয়েই জুতা খুলে খালি পায়ে মাতৃভূমির মাটি ছুঁলেন তিনি। পরে তিনি হাতে তুলে নেন এক মুঠো মাটি।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে খালি পায়ে মাটি স্পর্শের অনুভূতি প্রকাশ করেন তারেক রহমান। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘খালি পায়ে দেশের মাটিতে।’ এই পোস্টের সঙ্গে খালি পায়ে মাটি ছোঁয়ার ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির সিনিয়র নেতারা। এদের মধ্যে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সরাসরি ৩০০ ফিট এলাকায় যাচ্ছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি সমবেত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার অসুস্থ মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই তিনশ ফিট সড়ক, তার আশপাশের অলিগলি এবং সংযোগ সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। সকাল ৮টার দিকে দৃশ্যটি আরও ঘনীভূত হয়। মঞ্চের সামনে তো বটেই, আশপাশের প্রতিটি জায়গায় দাঁড়িয়ে মানুষ অপেক্ষা করছেন তাদের প্রিয় নেতাকে এক ঝলক দেখার জন্য। স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুন আর জাতীয় ও দলীয় পতাকায় পুরো এলাকা রঙিন হয়ে ওঠে।
সংবর্ধনাস্থলের মূল মঞ্চ প্রস্তুত। মঞ্চে ১৯টি চেয়ার রাখা হয়েছে। মঞ্চের চারপাশে ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকরাও সক্রিয় রয়েছেন।




















