ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গজারিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন নিয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের আপত্তি তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাগুরায় আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার শেরপুরে অবৈধ ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা গৌরনদীতে অ্যাম্বুলেন্স–ইজিবাইক সংঘর্ষে ৭ জন আহত হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস করার পরিকল্পনা: ধর্মমন্ত্রী ড. সাইমুম পারভেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ লালমনিরহাট–কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও মদ জব্দ লালমনিরহাটে বাইরে থেকে লোকআসলে উন্নত হবে জেলা প্রশাসক নাইক্ষ্যংছড়িতে অস্ত্রের মুখে রাবার বাগান থেকে তিন শ্রমিক অপহরণ

বগুড়ায় প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় তিন মাস ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শামছুর রহমান উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ইউপি কর বাবদ প্রায় ৬ লাখ টাকা এবং স্যানিটেশন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

জানা গেছে, রোববার দায়িত্বে ফিরে আসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আব্দুল মতিন পরিষদের প্রথম সভায় বিষয়টি উত্থাপন করলে অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তবে অভিযুক্ত প্যানেল চেয়ারম্যান ওই সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। ইউপি সদস্যদের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি ইউপি কর, স্যানিটেশন প্রকল্প এবং সরকারি চাল বিতরণে নানা অনিয়ম করেছেন এবং সংগ্রহ করা অর্থ নিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন।

ইউপি সদস্যরা জানান, জাতীয় স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় ল্যাট্রিন নির্মাণের জন্য প্রত্যেক সুবিধাভোগীর কাছ থেকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ হাজার টাকা করে সংগ্রহ করা হয়। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যরা নিজেদের ওয়ার্ড থেকে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে টাকা এনে প্যানেল চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিলেও তিনি তা সরকারি হিসাবে জমা দেননি।

ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্দেশনায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও সংগ্রহ করা অর্থ এখনো সরকারি হিসাবে জমা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শামছুর রহমান মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “এক মাস অপেক্ষা করেন, তখন কথা বলব।”

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, স্যানিটেশন প্রকল্প ও ইউপি করের অর্থ আত্মসাৎ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি পরিষদের সভায় ওঠার পর অভিযুক্তকে প্রশাসনিকভাবে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বগুড়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম কিবরিয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বগুড়ায় প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় তিন মাস ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শামছুর রহমান উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ইউপি কর বাবদ প্রায় ৬ লাখ টাকা এবং স্যানিটেশন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

জানা গেছে, রোববার দায়িত্বে ফিরে আসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আব্দুল মতিন পরিষদের প্রথম সভায় বিষয়টি উত্থাপন করলে অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তবে অভিযুক্ত প্যানেল চেয়ারম্যান ওই সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। ইউপি সদস্যদের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি ইউপি কর, স্যানিটেশন প্রকল্প এবং সরকারি চাল বিতরণে নানা অনিয়ম করেছেন এবং সংগ্রহ করা অর্থ নিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন।

ইউপি সদস্যরা জানান, জাতীয় স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় ল্যাট্রিন নির্মাণের জন্য প্রত্যেক সুবিধাভোগীর কাছ থেকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ হাজার টাকা করে সংগ্রহ করা হয়। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যরা নিজেদের ওয়ার্ড থেকে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে টাকা এনে প্যানেল চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিলেও তিনি তা সরকারি হিসাবে জমা দেননি।

ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্দেশনায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও সংগ্রহ করা অর্থ এখনো সরকারি হিসাবে জমা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শামছুর রহমান মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “এক মাস অপেক্ষা করেন, তখন কথা বলব।”

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, স্যানিটেশন প্রকল্প ও ইউপি করের অর্থ আত্মসাৎ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি পরিষদের সভায় ওঠার পর অভিযুক্তকে প্রশাসনিকভাবে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বগুড়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম কিবরিয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।