বাবা ইন্তেকাল করেছে চিন্তা করেছিলাম ভালো হয়ে গেছে গু যতই ধোয়া হোক গন্ধ থেকে যায় অমানুষ কখনো ভালো হয় না
- আপডেট সময় : ০৪:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরে ইউনিয়ন ও উপজেলা ভূমি অফিসে বহিরাগত হয়েও একক প্রভাব বিস্তার করছেন মো. রাকিবুল হাসান—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তিনি গাজীপুর জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) দপ্তরে স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে যুক্ত থাকলেও বিভিন্ন অফিসে নিজেকে ক্ষমতাবান ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির এক অঘোষিত ‘নেটওয়ার্ক’ গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাকিবুল এমনভাবে প্রভাব খাটান যে ভূমি অফিসের ছোট কর্মচারীরাও থাকেন আতঙ্কে। নামজারি, খতিয়ান, নথিপত্র সংশোধন, বিভিন্ন সেবা গ্রহণ—এসব কাজে কেউ গেলে তাদের রাকিবুলের ‘চ্যানেল’ ব্যবহার করতে বলা হয়। এতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়, ফাইল আটকে রাখা, নিজের লোক দিয়ে সেবা বাণিজ্য চালানোসহ নানা অনিয়ম নিয়মিত ঘটে চলেছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে—
-
গাজীপুর ও আশপাশের একাধিক ভূমি অফিসে তার ‘একক কর্তৃত্ব’ প্রতিষ্ঠা হয়েছে;
-
প্রশাসনে পরিচয় ব্যবহার করে বদলির ভয় দেখানো হয়;
-
সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করাই তার মূল লক্ষ্য;
-
জটিল কাজ দ্রুত করে দেওয়ার নামে গড়ে উঠেছে দালালচক্র।
এমনকি জেলা প্রশাসনের আওতাধীন না হলেও উপজেলাভিত্তিক বিভিন্ন অফিসে গিয়ে উপস্থিত থেকে নির্দেশনা দিতে দেখা যায় রাকিবুলকে—যা তার নিয়োগবিধির পুরোপুরি বাইরে।
ভুক্তভোগীরা জানান, “সরকারি সেবা পেতে গেলে প্রথমেই বলা হয়—রাকিবুল ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন।” ফলে সেবা পাওয়ার আগেই শুরু হয় হয়রানি। স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত দাবি করেছেন।
গাজীপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন—রাকিবুলের কর্মকাণ্ড নিয়ে বহু অভিযোগ জমা পড়েছে, শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















