ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক, কমছে ভোগান্তি হিজলায় নতুন ওসির হুঁশিয়ারি: মাদক-জুয়া দমনে কঠোর পদক্ষেপ ৫ কেজির কম ওজনের শিশুর জন্য প্রথম ম্যালেরিয়ার ওষুধ অনুমোদন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ শুরু দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আবার চালু চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক, কর্মবিরতি প্রত্যাহার গ্যাসচালিত পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে ব্যবস্থা: হুঁশিয়ারি সড়কমন্ত্রীর রাজধানীর কমলাপুরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু গণভোটের রায় উপেক্ষার সুযোগ নেই: হানজালা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টি হত্যার শিকার, শোকাহত পরিবার

৫০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণের ঘোষণা ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

প্রায় ৫০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের পোর্ট অব ব্রাউনসভিল এলাকায় ‘আমেরিকা ফার্স্ট রিফাইনিং’ নামে এই বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social–এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তার প্রশাসনের সহজ অনুমোদন প্রক্রিয়া ও করনীতির কারণে এই বিশাল বিনিয়োগ সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পটিতে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে ভারতের শীর্ষ জ্বালানি প্রতিষ্ঠান Reliance Industries।

‘আমেরিকা ফার্স্ট রিফাইনিং’ নামের একটি স্টার্টআপের অধীনে টেক্সাসের ব্রাউনসভিল বন্দরে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ব্যারেল উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন এই শোধনাগার নির্মাণ করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করতে পারে। অর্ধশতাব্দীর মধ্যে এটিই যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষভাবে আমেরিকান শেল অয়েলের জন্য নির্মিত প্রথম শোধনাগার হতে যাচ্ছে।

এর আগে উপসাগরীয় অঞ্চলের অধিকাংশ শোধনাগার ভারী অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যা বর্তমানে উৎপাদিত হালকা শেল অয়েল প্রক্রিয়াকরণে ততটা কার্যকর নয়। নতুন এই শোধনাগার সেই সীমাবদ্ধতা কাটানোর লক্ষ্যেই নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি ঘিরে Reliance Industries–এর সঙ্গে ২০ বছরের একটি চুক্তি হয়েছে, যার আওতায় উৎপাদিত পণ্যের বড় অংশ তারা কিনবে। তবে শিল্প বিশ্লেষকদের একটি অংশ এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ব্রাউনসভিল অঞ্চলে স্থানীয় জ্বালানির চাহিদা তুলনামূলক কম এবং সেখান থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে অন্য অঞ্চলে তেল পাঠানোর সুবিধাও সীমিত। ফলে এটি মূলত রপ্তানিমুখী শোধনাগার হিসেবেই পরিচালিত হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্যালিফোর্নিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বড় শোধনাগার বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন এই প্রকল্প মার্কিন জ্বালানি বাজারে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: রয়টার্স।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৫০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণের ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০২:০৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

প্রায় ৫০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের পোর্ট অব ব্রাউনসভিল এলাকায় ‘আমেরিকা ফার্স্ট রিফাইনিং’ নামে এই বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social–এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তার প্রশাসনের সহজ অনুমোদন প্রক্রিয়া ও করনীতির কারণে এই বিশাল বিনিয়োগ সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পটিতে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে ভারতের শীর্ষ জ্বালানি প্রতিষ্ঠান Reliance Industries।

‘আমেরিকা ফার্স্ট রিফাইনিং’ নামের একটি স্টার্টআপের অধীনে টেক্সাসের ব্রাউনসভিল বন্দরে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ব্যারেল উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন এই শোধনাগার নির্মাণ করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করতে পারে। অর্ধশতাব্দীর মধ্যে এটিই যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষভাবে আমেরিকান শেল অয়েলের জন্য নির্মিত প্রথম শোধনাগার হতে যাচ্ছে।

এর আগে উপসাগরীয় অঞ্চলের অধিকাংশ শোধনাগার ভারী অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যা বর্তমানে উৎপাদিত হালকা শেল অয়েল প্রক্রিয়াকরণে ততটা কার্যকর নয়। নতুন এই শোধনাগার সেই সীমাবদ্ধতা কাটানোর লক্ষ্যেই নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি ঘিরে Reliance Industries–এর সঙ্গে ২০ বছরের একটি চুক্তি হয়েছে, যার আওতায় উৎপাদিত পণ্যের বড় অংশ তারা কিনবে। তবে শিল্প বিশ্লেষকদের একটি অংশ এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ব্রাউনসভিল অঞ্চলে স্থানীয় জ্বালানির চাহিদা তুলনামূলক কম এবং সেখান থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে অন্য অঞ্চলে তেল পাঠানোর সুবিধাও সীমিত। ফলে এটি মূলত রপ্তানিমুখী শোধনাগার হিসেবেই পরিচালিত হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্যালিফোর্নিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বড় শোধনাগার বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন এই প্রকল্প মার্কিন জ্বালানি বাজারে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: রয়টার্স।