ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস ও লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রামে অফিসে ঢুকে চাঁদা দাবি ও হামলা, ব্যবসায়ী আহত বর্তমান মজুত জ্বালানি ১২ বছর পর্যন্ত গ্যাস চাহিদা মেটাতে পারবে: জ্বালানি মন্ত্রী সাভার-আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স বেড়ে ১৯৬ কোটি ডলার কালীগঞ্জে আদি যমুনায় ৪০ লক্ষ টাকার তীর রক্ষা বাঁধ: মাস না পেরোতেই ধস ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার গুঞ্জন, নিরাপত্তা জোরদার মাদারীপুরে এসএসসি প্রবেশপত্র না পেয়ে ২০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজধানীর মালিবাগে ট্রেনের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু

শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাবে এনসিপি: সারজিস আলম

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এনসিপি। মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনার সালথি কনভেনশন হলে জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি একথা বলেন।

সারজিস আলম আরও বলেন, শাপলা প্রতীক পেতে এনসিপির আইনগত কোনো বাঁধা নেই। নির্বাচন কমিশন অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে নিজেদের দায়িত্বে স্বচ্ছতা দেখাবে এবং আমরা আশা করি, আমরা অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাবো। শাপলা প্রতীক নিয়েই আগামী নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করবো।

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনের মতো একটি প্রতিষ্ঠান যাদের উপর আমরা আগামীতে আস্থা রাখতে চাই, যদি তারা কোনো চাপে আমাদের বৈধ অধিকার—শাপলা প্রতীক—প্রদানে পিছুটান অনুভব করে, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচনের আস্থা পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। তবে শাপলা প্রতীক আমরা আমাদের জায়গা থেকে আদায় করবো, রাজনৈতিকভাবে হোক বা অন্য যেকোনোভাবে।”

সারজিস আলম বলেন, জুলাই সনদে যদি আইনগত ভিত্তি আসে এবং সংস্কারগুলো কমিটেডভাবে বাস্তবায়ন হয়, এবং যদি বিচারিক প্রক্রিয়ায় কার্যকারিতা দেখা যায়, তাহলে ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপির আলাদা কোনো আপত্তি থাকবে না।

কিন্তু যদি এসব প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়, তাহলে তা নির্বাচনের উপর প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে। “আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকার ও সংশ্লিষ্টদের আহবান করবো যে, এনসিপি নির্বাচন পিছিয়ে যাক এমন মানসিকতা ধারণ করবে না।

জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র নির্বাচন কেন্দ্রীক চিন্তা করা হলে, এনসিপি তা মেনে নেবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা উচ্চকক্ষে পিআর চাই, নিম্নকক্ষে পিআরের পক্ষে এবার নয়। উচ্চকক্ষে পিআর চালু হলে তা ঐক্যমুক্ত কমিশনের মাধ্যমে কার্যকর হবে।

যদি আমরা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ পাই এবং উচ্চকক্ষে পিআর চালু হয়, তাহলে সফলতা ও ব্যর্থতা, কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী ভবিষ্যতে উচ্চকক্ষ থাকবে কি থাকবে না তা নির্ধারিত হবে। পাশাপাশি নিম্নকক্ষও আসবে কি না, নাকি উচ্চকক্ষই বিলোপ হবে—এসব সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নেওয়া হবে।” সারজিস আলম আরও উল্লেখ করেন, “আগামীতে কারা সরকার গঠন করবে, এনসিপি সেই ক্ষেত্রে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করবে। কারণ ভারতীয় আধিপত্যবাদকে বিএনপি বা জামাত তাদের অবস্থান থেকে মোকাবেলা করতে পারবে না।

এই পরিস্থিতিতে এনসিপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। আমরা সুন্দর ও স্থিতিশীল সরকার বা সংসদ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।” তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এনসিপির কোনো প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি গঠনের কাজ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

এদিকে অনুষ্ঠান সকাল দশটায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তিন ঘণ্টা সাংবাদিকদের বসিয়ে রেখে অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর একটায়। সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক প্রীতম সোহাগ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলম, যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফাহিম এবং জেলা ও উপজেলা নেতাকর্মীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাবে এনসিপি: সারজিস আলম

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এনসিপি। মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনার সালথি কনভেনশন হলে জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি একথা বলেন।

সারজিস আলম আরও বলেন, শাপলা প্রতীক পেতে এনসিপির আইনগত কোনো বাঁধা নেই। নির্বাচন কমিশন অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে নিজেদের দায়িত্বে স্বচ্ছতা দেখাবে এবং আমরা আশা করি, আমরা অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাবো। শাপলা প্রতীক নিয়েই আগামী নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করবো।

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনের মতো একটি প্রতিষ্ঠান যাদের উপর আমরা আগামীতে আস্থা রাখতে চাই, যদি তারা কোনো চাপে আমাদের বৈধ অধিকার—শাপলা প্রতীক—প্রদানে পিছুটান অনুভব করে, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচনের আস্থা পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। তবে শাপলা প্রতীক আমরা আমাদের জায়গা থেকে আদায় করবো, রাজনৈতিকভাবে হোক বা অন্য যেকোনোভাবে।”

সারজিস আলম বলেন, জুলাই সনদে যদি আইনগত ভিত্তি আসে এবং সংস্কারগুলো কমিটেডভাবে বাস্তবায়ন হয়, এবং যদি বিচারিক প্রক্রিয়ায় কার্যকারিতা দেখা যায়, তাহলে ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপির আলাদা কোনো আপত্তি থাকবে না।

কিন্তু যদি এসব প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়, তাহলে তা নির্বাচনের উপর প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে। “আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকার ও সংশ্লিষ্টদের আহবান করবো যে, এনসিপি নির্বাচন পিছিয়ে যাক এমন মানসিকতা ধারণ করবে না।

জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র নির্বাচন কেন্দ্রীক চিন্তা করা হলে, এনসিপি তা মেনে নেবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা উচ্চকক্ষে পিআর চাই, নিম্নকক্ষে পিআরের পক্ষে এবার নয়। উচ্চকক্ষে পিআর চালু হলে তা ঐক্যমুক্ত কমিশনের মাধ্যমে কার্যকর হবে।

যদি আমরা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ পাই এবং উচ্চকক্ষে পিআর চালু হয়, তাহলে সফলতা ও ব্যর্থতা, কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী ভবিষ্যতে উচ্চকক্ষ থাকবে কি থাকবে না তা নির্ধারিত হবে। পাশাপাশি নিম্নকক্ষও আসবে কি না, নাকি উচ্চকক্ষই বিলোপ হবে—এসব সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নেওয়া হবে।” সারজিস আলম আরও উল্লেখ করেন, “আগামীতে কারা সরকার গঠন করবে, এনসিপি সেই ক্ষেত্রে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করবে। কারণ ভারতীয় আধিপত্যবাদকে বিএনপি বা জামাত তাদের অবস্থান থেকে মোকাবেলা করতে পারবে না।

এই পরিস্থিতিতে এনসিপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। আমরা সুন্দর ও স্থিতিশীল সরকার বা সংসদ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।” তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এনসিপির কোনো প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি গঠনের কাজ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

এদিকে অনুষ্ঠান সকাল দশটায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তিন ঘণ্টা সাংবাদিকদের বসিয়ে রেখে অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর একটায়। সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক প্রীতম সোহাগ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলম, যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফাহিম এবং জেলা ও উপজেলা নেতাকর্মীরা।