ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেন্দুয়ায় জমি বিরোধে সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ৩০ চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ছাত্রশিবিরের গজারিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন নিয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের আপত্তি তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাগুরায় আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার শেরপুরে অবৈধ ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা গৌরনদীতে অ্যাম্বুলেন্স–ইজিবাইক সংঘর্ষে ৭ জন আহত হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস করার পরিকল্পনা: ধর্মমন্ত্রী ড. সাইমুম পারভেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ লালমনিরহাট–কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও মদ জব্দ

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান, আতঙ্কে মানুষ ঘরছাড়া

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ৪০ বার পড়া হয়েছে

মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে দেশটির লোরালাই এবং আশেপাশের এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ সময় লোকজন আতঙ্কে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানিয়েছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

জিও নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। পরে ভূমিকম্প অফিস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪। এর কেন্দ্রস্থল ছিল লোরালাইয়ের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে। তবে ভূমিকম্পের পর প্রাথমিক ভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত মঙ্গলবারও পাকিস্তানের সিবি এলাকায় ৩ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে দুটি ক্ষেত্রেই বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতেও প্রদেশের কিছু অংশে ছোটখাটো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সে সময় পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) পরিচালিত এনএসএমসি জানায়, জিয়ারাত এবং আশেপাশের এলাকায় ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

গত ৮ নভেম্বরের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কোয়েটা থেকে ৬৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। তবে ওই ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জিয়ারাতে সর্বশেষ বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ২০০৮ সালে। সে সময় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়।

ওই ভূমিকম্পে পুরো গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায়, শত শত বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ফলে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশ মূলত একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের পাশে অবস্থিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান, আতঙ্কে মানুষ ঘরছাড়া

আপডেট সময় : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে দেশটির লোরালাই এবং আশেপাশের এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ সময় লোকজন আতঙ্কে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানিয়েছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

জিও নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। পরে ভূমিকম্প অফিস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪। এর কেন্দ্রস্থল ছিল লোরালাইয়ের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে। তবে ভূমিকম্পের পর প্রাথমিক ভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত মঙ্গলবারও পাকিস্তানের সিবি এলাকায় ৩ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে দুটি ক্ষেত্রেই বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতেও প্রদেশের কিছু অংশে ছোটখাটো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সে সময় পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) পরিচালিত এনএসএমসি জানায়, জিয়ারাত এবং আশেপাশের এলাকায় ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

গত ৮ নভেম্বরের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কোয়েটা থেকে ৬৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। তবে ওই ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জিয়ারাতে সর্বশেষ বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ২০০৮ সালে। সে সময় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়।

ওই ভূমিকম্পে পুরো গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায়, শত শত বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ফলে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশ মূলত একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের পাশে অবস্থিত।