ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেন্দুয়ায় জমি বিরোধে সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ৩০ চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ছাত্রশিবিরের গজারিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন নিয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের আপত্তি তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাগুরায় আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার শেরপুরে অবৈধ ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা গৌরনদীতে অ্যাম্বুলেন্স–ইজিবাইক সংঘর্ষে ৭ জন আহত হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস করার পরিকল্পনা: ধর্মমন্ত্রী ড. সাইমুম পারভেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ লালমনিরহাট–কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও মদ জব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে শনিবার দেশটির সব ৫০টি অঙ্গরাজ্যে একযোগে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ মার্চ আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ৩ হাজার ৩০০-এরও বেশি সমাবেশে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান, যা আন্দোলনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগের দুই দফায় বড় শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার ছোট শহর ও রক্ষণশীল এলাকাগুলোতেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এই আন্দোলন। ফলে অংশগ্রহণের দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে এবারের কর্মসূচি।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান অভিযোগ ছিল নির্বাহী ক্ষমতার অপব্যবহার। তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যু—ইরান নিয়ে সম্ভাব্য যুদ্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অভিবাসন নীতি, গর্ভপাত অধিকারসহ নানা বিষয়। এসব ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধেই মূলত অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

নিউইয়র্কের আপস্টেট অঞ্চলের এক নারী বিক্ষোভকারী বলেন, বিভিন্ন ইস্যু মিলিয়েই তিনি প্রথমবারের মতো রাস্তায় নেমেছেন। অন্যদিকে মিনেসোটায় অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় সমাবেশে রাজ্যের গভর্নর বলেন, “গণতন্ত্র যখন হুমকির মুখে পড়ে, তখন চুপ করে থাকা যায় না।”

লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন বড় শহরে ব্যাপক জনসমাগম দেখা গেছে। অংশগ্রহণকারীরা অর্থনৈতিক চাপ, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং নীতিগত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, এই আন্দোলন ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়েছে। রোম, প্যারিস, মাদ্রিদ, আমস্টারডাম, সিডনি ও টোকিওসহ অন্তত ১৫টি দেশে সমান্তরাল কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

আয়োজকদের দাবি, আগের বৃহত্তম বিক্ষোভে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিল। তবে এবারের অংশগ্রহণ সেই সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

আপডেট সময় : ১১:০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে শনিবার দেশটির সব ৫০টি অঙ্গরাজ্যে একযোগে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ মার্চ আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ৩ হাজার ৩০০-এরও বেশি সমাবেশে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান, যা আন্দোলনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগের দুই দফায় বড় শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার ছোট শহর ও রক্ষণশীল এলাকাগুলোতেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এই আন্দোলন। ফলে অংশগ্রহণের দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে এবারের কর্মসূচি।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান অভিযোগ ছিল নির্বাহী ক্ষমতার অপব্যবহার। তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যু—ইরান নিয়ে সম্ভাব্য যুদ্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অভিবাসন নীতি, গর্ভপাত অধিকারসহ নানা বিষয়। এসব ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধেই মূলত অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

নিউইয়র্কের আপস্টেট অঞ্চলের এক নারী বিক্ষোভকারী বলেন, বিভিন্ন ইস্যু মিলিয়েই তিনি প্রথমবারের মতো রাস্তায় নেমেছেন। অন্যদিকে মিনেসোটায় অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় সমাবেশে রাজ্যের গভর্নর বলেন, “গণতন্ত্র যখন হুমকির মুখে পড়ে, তখন চুপ করে থাকা যায় না।”

লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন বড় শহরে ব্যাপক জনসমাগম দেখা গেছে। অংশগ্রহণকারীরা অর্থনৈতিক চাপ, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং নীতিগত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, এই আন্দোলন ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়েছে। রোম, প্যারিস, মাদ্রিদ, আমস্টারডাম, সিডনি ও টোকিওসহ অন্তত ১৫টি দেশে সমান্তরাল কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

আয়োজকদের দাবি, আগের বৃহত্তম বিক্ষোভে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিল। তবে এবারের অংশগ্রহণ সেই সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।