কক্সবাজার রেলস্টেশনে টিকিট কালোবাজারি তদন্তে নেমেছে দুদক
- আপডেট সময় : ০১:১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন-এ টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম ও কালোবাজারির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ইতোমধ্যে তলব করা হয়েছে।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হুমায়ুন বিন আহমদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী-কে টিকিট বিক্রির পূর্ণাঙ্গ তথ্য, অনলাইন-অফলাইন ডেটা, কোটা বরাদ্দ, রিফান্ড রেকর্ড ও ডিউটি রোস্টারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে টিকিট ‘ব্লক’ করে পরে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে। এতে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে দাবি করেছেন অনেকে।
যাত্রীদের অভিযোগ, কাউন্টার বা অনলাইন—কোনো মাধ্যমেই সহজে টিকিট পাওয়া যায় না, কিন্তু পরে সেই একই টিকিট বেশি দামে পাওয়া যাচ্ছে। এ নিয়ে স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে।
স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং সত্যতা থাকলে সেটি তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার-এ নতুন রেল যোগাযোগ চালুর পর থেকেই টিকিট সংকট ও কালোবাজারির অভিযোগ সামনে আসছে। বর্তমানে যাত্রী চাহিদা বাড়ায় কক্সবাজার-ঢাকা ও কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে টিকিটের চাপ আরও বেড়েছে, যা নিয়ে সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দুদক জানিয়েছে, এনফোর্সমেন্ট টিম শিগগিরই সরেজমিনে তদন্ত শুরু করবে এবং প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















