ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস ও লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রামে অফিসে ঢুকে চাঁদা দাবি ও হামলা, ব্যবসায়ী আহত বর্তমান মজুত জ্বালানি ১২ বছর পর্যন্ত গ্যাস চাহিদা মেটাতে পারবে: জ্বালানি মন্ত্রী সাভার-আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স বেড়ে ১৯৬ কোটি ডলার কালীগঞ্জে আদি যমুনায় ৪০ লক্ষ টাকার তীর রক্ষা বাঁধ: মাস না পেরোতেই ধস ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার গুঞ্জন, নিরাপত্তা জোরদার মাদারীপুরে এসএসসি প্রবেশপত্র না পেয়ে ২০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজধানীর মালিবাগে ট্রেনের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের দৈনিক মজুরি শ্রমিকদের বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধিসহ নানা দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। বুধবার নগর ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভ চলাকালে তারা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না; বরং বিষয়টি নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে দৈনিক মজুরি ৪৮৪ টাকা— যা দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব নয় বলে অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। তারা জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রমিকরা দৈনিক ৭৫০ টাকা পান, অথচ সিটি কর্পোরেশনের শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। শ্রমিকরা দ্রুত তাদের দৈনিক মজুরি ৭৫০ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানান। তারা বলেন, “বর্তমান বেতনে সংসার চলে না, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচও মেটানো যাচ্ছে না।”

বিক্ষোভে সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের অন্তত আড়াই হাজার শ্রমিক অংশ নেন। দাবি পূরণ না হলে তারা লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

শ্রমিকদের দাবিগুলো হলো —

১. সকল শ্রমিক-কর্মচারীর সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ২২,৫০০ টাকা কার্যকর করতে হবে।
২. রাষ্ট্র ঘোষিত দৈনিক ৭৫০ টাকা মজুরি প্রদান করতে হবে।
৩. প্রতিবছর নির্ধারিত উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে।
৪. বেতন প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
৫. শ্রমিকদের অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে গ্রহণ ও সমাধান করতে হবে; একই অভিযোগ থাকলে অন্যত্র বদলি করা যাবে, কিন্তু চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া যাবে না।
৬. অবসর গ্রহণের সময় বিদায় সম্মান প্রদান করতে হবে।
৭. নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করে অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে।

শ্রমিকরা জানান, তাদের যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের দৈনিক মজুরি শ্রমিকদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৪:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধিসহ নানা দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। বুধবার নগর ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভ চলাকালে তারা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না; বরং বিষয়টি নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে দৈনিক মজুরি ৪৮৪ টাকা— যা দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব নয় বলে অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। তারা জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রমিকরা দৈনিক ৭৫০ টাকা পান, অথচ সিটি কর্পোরেশনের শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। শ্রমিকরা দ্রুত তাদের দৈনিক মজুরি ৭৫০ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানান। তারা বলেন, “বর্তমান বেতনে সংসার চলে না, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচও মেটানো যাচ্ছে না।”

বিক্ষোভে সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের অন্তত আড়াই হাজার শ্রমিক অংশ নেন। দাবি পূরণ না হলে তারা লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

শ্রমিকদের দাবিগুলো হলো —

১. সকল শ্রমিক-কর্মচারীর সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ২২,৫০০ টাকা কার্যকর করতে হবে।
২. রাষ্ট্র ঘোষিত দৈনিক ৭৫০ টাকা মজুরি প্রদান করতে হবে।
৩. প্রতিবছর নির্ধারিত উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে।
৪. বেতন প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
৫. শ্রমিকদের অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে গ্রহণ ও সমাধান করতে হবে; একই অভিযোগ থাকলে অন্যত্র বদলি করা যাবে, কিন্তু চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া যাবে না।
৬. অবসর গ্রহণের সময় বিদায় সম্মান প্রদান করতে হবে।
৭. নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করে অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে।

শ্রমিকরা জানান, তাদের যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে।