ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“যুদ্ধ শুরু হয়নি, কিন্তু শেষ করার দায়িত্ব আমাদের”: ফাতেমা মোহাজেরানি

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

ইরানি প্রশাসনের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে একটি স্পষ্ট অবস্থান ঘোষণা করেছেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ-এ প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু আমরাই এই যুদ্ধ শেষ করার দায়িত্ব নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, কোনো ধরনের আলোচনা বা মধ্যস্থতা কেবল তখনই কার্যকর হবে যখন হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না। তার মতে, শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতি নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আলোচনার কোনো মানে নেই। মোহাজেরানি বলেন, “বিদ্বেষ থেমে গেলে কেবলমাত্র আলোচনার পথ খোলা যাবে। যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে থামলেই ইরান আলোচনার টেবিলে বসার কথা বিবেচনা করবে।”

মুখপাত্রের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে যে ইরান আঞ্চলিক অস্থিরতা দীর্ঘায়িত করতে চায় না, তবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তার ওপর আঘাত এলে তারা পিছু হটবে না। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় ইরান সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোহাজেরানির এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হুমকির প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসেছে। বার্তাটি স্পষ্ট করেছে যে ইরান যুদ্ধের উস্কানিদাতা নয়, কিন্তু প্রয়োজনে নিজস্ব শক্তিতে যুদ্ধকে সমাপ্ত করার সক্ষমতা রাখে।

এটি কেবল সামরিক নয়, রাজনৈতিকভাবে ইরানের অনড় অবস্থানকেও প্রতিফলিত করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

“যুদ্ধ শুরু হয়নি, কিন্তু শেষ করার দায়িত্ব আমাদের”: ফাতেমা মোহাজেরানি

আপডেট সময় : ০৪:০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইরানি প্রশাসনের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে একটি স্পষ্ট অবস্থান ঘোষণা করেছেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ-এ প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু আমরাই এই যুদ্ধ শেষ করার দায়িত্ব নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, কোনো ধরনের আলোচনা বা মধ্যস্থতা কেবল তখনই কার্যকর হবে যখন হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না। তার মতে, শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতি নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আলোচনার কোনো মানে নেই। মোহাজেরানি বলেন, “বিদ্বেষ থেমে গেলে কেবলমাত্র আলোচনার পথ খোলা যাবে। যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে থামলেই ইরান আলোচনার টেবিলে বসার কথা বিবেচনা করবে।”

মুখপাত্রের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে যে ইরান আঞ্চলিক অস্থিরতা দীর্ঘায়িত করতে চায় না, তবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তার ওপর আঘাত এলে তারা পিছু হটবে না। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় ইরান সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোহাজেরানির এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হুমকির প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসেছে। বার্তাটি স্পষ্ট করেছে যে ইরান যুদ্ধের উস্কানিদাতা নয়, কিন্তু প্রয়োজনে নিজস্ব শক্তিতে যুদ্ধকে সমাপ্ত করার সক্ষমতা রাখে।

এটি কেবল সামরিক নয়, রাজনৈতিকভাবে ইরানের অনড় অবস্থানকেও প্রতিফলিত করছে।