ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস ও লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রামে অফিসে ঢুকে চাঁদা দাবি ও হামলা, ব্যবসায়ী আহত বর্তমান মজুত জ্বালানি ১২ বছর পর্যন্ত গ্যাস চাহিদা মেটাতে পারবে: জ্বালানি মন্ত্রী সাভার-আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স বেড়ে ১৯৬ কোটি ডলার কালীগঞ্জে আদি যমুনায় ৪০ লক্ষ টাকার তীর রক্ষা বাঁধ: মাস না পেরোতেই ধস ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার গুঞ্জন, নিরাপত্তা জোরদার মাদারীপুরে এসএসসি প্রবেশপত্র না পেয়ে ২০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজধানীর মালিবাগে ট্রেনের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে সেনা মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলা পত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১২:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে যাচ্ছে। এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।

মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং যুদ্ধজাহাজের একটি বড় বহর চলতি মাসের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। এই বহরে প্রায় ৬ হাজার সেনার পাশাপাশি আরও ৪ হাজার ২০০ নৌ ও মেরিন সেনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। নতুন এই বাহিনী সেখানে থাকা বর্তমান সেনাদের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান এই সংঘাত শিগগিরই শেষ হতে পারে। তিনি ফক্স বিজনেসকে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, ইরান যদি বাস্তববাদী সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামও কমে আসবে।

গত রবিবার ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে ২১ ঘণ্টার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প ইরানি বন্দরগুলোর ওপর নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরান এই নৌ-অবরোধকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পূর্বাভাস হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, তাহলে তেহরানও পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তারা পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে সেনা মোতায়েন

আপডেট সময় : ১২:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে যাচ্ছে। এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।

মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং যুদ্ধজাহাজের একটি বড় বহর চলতি মাসের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। এই বহরে প্রায় ৬ হাজার সেনার পাশাপাশি আরও ৪ হাজার ২০০ নৌ ও মেরিন সেনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। নতুন এই বাহিনী সেখানে থাকা বর্তমান সেনাদের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান এই সংঘাত শিগগিরই শেষ হতে পারে। তিনি ফক্স বিজনেসকে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, ইরান যদি বাস্তববাদী সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামও কমে আসবে।

গত রবিবার ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে ২১ ঘণ্টার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প ইরানি বন্দরগুলোর ওপর নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরান এই নৌ-অবরোধকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পূর্বাভাস হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, তাহলে তেহরানও পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তারা পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি